ভালোবাসা না অপেক্ষা জেতে

অপেক্ষা অন্তহীন ভালোবাসা অপরাজেয় ব্যক্তিবিশেষের ক্ষেত্রে। তাই ভালোবাসা জেতে যখন বিচ্ছেদের পরেও ভালোবাসা অক্ষয় রূপ নিয়ে বজায় থাকে অসম্মানজনক কাঁদা ছোঁড়াছুড়িঁ ছাড়াই, বিশ্বাস এর কাঁটাছেঁড়া না হলে পরেই। যদি হয় তবে অপেক্ষা জেতে, ভালোবাসা হেরে যায়…

না বলা কথাগুলো রয়ে যায় নিঃশব্দে অধরা হয়ে

সত্যিই অনেক কথাই বলতে ইচ্ছে করে কাছের মানুষদের। কিন্তু আমরা অধিকারবোধ এর সীমা অতিক্রম করতে পারি না বলে এবং হারিয়ে ফেলার নিদারুণ ভয়ের বশবর্তী হয়েই হোক না কেন, বিভিন্ন কারণেই অনেক কথা বলে উঠতে পারি না। কারণ আমরা যখন সত্যিই চাই তখনই তাকে অধিকারবশে বলি আমরা যা বলতে চাই, তার বাইরে কোনোকিছুই একটা বাড়তি শব্দও উচ্চারণ করি না ইচ্ছে থাকলেও। অদ্ভুত মায়াজাল যেমন করে বিভ্রান্ত করে মানুষকে, ঠিক একইরকমভাবে মানুষ নামক জটিল জীবের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য নিরীক্ষণের মাধ্যমে কোনো সঠিক সিদ্ধান্তে পৌঁছে নির্দিষ্ট করে কোনো সংজ্ঞায়িত ব্যাখায় ফেলা যায় না, ফলে নির্দিষ্টরূপে কোনো এক বিশেষ ধরনের বিষয়ে আলোকপাত করা অসম্ভব ও বিষয়টি তাই অবিশ্লেষিত এক বিষয় হয়ে রয়ে যায় কেবল। কারণ সব মানুষকে সম্পূর্ণরূপে চেনা ও জানা অসম্ভব বলেই এতো বেশি ধরনের মতাপার্থক্য, চিন্তাধারার ক্ষেত্র বৈচিত্র্যময়তায় পরিপূর্ণ, এছাড়া তার পাশাপাশি সৃষ্টির ক্ষেত্র ও উৎসও একইসাথে বিরাজমান একই ধরণের বৈশিষ্ট্যে। এছাড়াও কোনো মানুষকেই সম্পূর্ণরূপে  চেনা ও জানা সম্ভবপর নয় বলেই সমালোচনার ধৃষ্টতা তো দূরেই থাক তাকে সব কথা বলার মতো দুঃসাহস অধিকারবোধের বশে হলেও একদমই করতে পারি না কোনোভাবেই। কারণ অপর প্রান্তের মানুষটির প্রতিক্রিয়া কী ধরণের হবে ও সেই তথাকথিত ব্যক্তিটি বিষয়টি কীভাবে নেবে  এ নিয়ে আমাদের মধ্যে  দ্বিধাদ্বন্দ্বের কোনো শেষ নেই বললেই চলে। তাই যাকে ভালোবাসি তাকে সরাসরি ভালোবাসি সবসময় বলা চলে না, বরংচ কিছুটা হলেও ঘুরিয়ে ফিরিয়ে বলি। “যেমন – কোথা থেকে বাড়ি গেলে তখন তাকে বাড়ি পৌঁছে সংবাদ জানানোর কথা বলি, কোনোসময় যদি মনে হয় তোমার মুড সুইং হয় তাহলে বলতে বলি,আর তাকে পাশে থাকার ভরসাটুকু যোগায়; কোনো সমস্যায় পড়লে তার পাশে থাকার ইচ্ছেটুকু প্রকাশ করে বলি ” আমি আছি” । যা কিছু প্রিয় সেই মানুষটির, তা নিঃশব্দে খেয়াল করে সাথে এনে রাখি উপহার হিসেবে দেওয়ার জন্য, বা তাকে সরাসরি সাক্ষাৎ এ দিই। জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাই ঠিক বারোটায়, তার উদ্দেশ্যে লেখা উৎসর্গিত করা ও তাকে উদ্দেশ্য করেই লেখাগুলো লিখে যাই বারবার; তার জন্যই করা আবদারের গান শোনানো সাথে কবিতা ও গল্প পাঠ করা হয় অনভ্যস্ত হলেও, এছাড়া কোনো তুচ্ছ কথাও তাকে না বললে দিনের শেষে যেন কেমন একটা অদ্ভুত অস্বস্তি বোধ হয়। তার পাঞ্জাবির রঙ ও কানের দুল, চোখের কাজলের সাথে মুখের অভিব্যক্তি প্রকাশে বুঝে নেওয়া তার মনের কথা চোখের চাহনিতে। অ্যাসাইনমেন্ট, পড়াশোনা, প্রিয় গান ও হাতের তৈরি রান্না, নিজেদের ছোট্ট ছোট্ট স্বপ্ন ও শখের বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়, আড্ডা দেওয়া ও পাশাপাশি ঘুরতে যাওয়া নিয়ে তর্ক চলে চায়ের ধূমায়িত কাপের চুমুকে, পছন্দ ও অপছন্দ নিয়ে খুনসুটি চলে নির্ধিধ্বায়। অভিমান করি তাই অধিকারের বশে, অথচ কখনো মুখ ফুটে বলা হয়ে ওঠে না ধন্যবাদ- ভালোবাসি এই শব্দগুলো একবারও,প্রিয় মানুষটিকে প্রতি মুহূর্তের জন্য অভাব অনুভূত হলেও মনখারাপ করা তবুও তাকে না বলা, তার সাথে কাটানো ছোটোখাটো মুহুর্তের স্মৃতি নাড়াচাড়া করি অবসর সময়ে অথচ বলি না যা বলতে ইচ্ছে হয়। আমরা বারবার ভয়ের বশবর্তী হয়েই সামলে উঠি অনুভূতিগুলোকে বারবার দমিয়ে দিয়ে। কিন্তু কিছু কথা বলে উঠলেই বোধহয় ভালো হতো বরংচ, জমে থাকা অভিমানগুলোর জমে থেকে নিঃশব্দে বয়ে যাওয়া নিশ্চুপ অভিমানীর চোখের জল ঝরে মুহুর্তের নষ্ট হওয়া সময়ের হিসেব মিলে যেত অনায়াসেই। মেনে নেওয়া ও মানিয়ে নেওয়ার গল্প নিত অন্য মোড়। কিন্তু সে পথ আমরা নিজেরাই বন্ধ করে রেখেছি। অভিযোগ ও অনুযোগ করার দ্বিধাগুলো সরিয়ে একপাশে সরিয়ে বলে দিলে সম্পর্কের অবনতি হতো না। সময় কাটানোর এড়িয়ে যাওয়া বিষয় অবহেলার কারণে স্রোত হারিয়ে ফিরে যেতে না পুরোনো পথেই। চেনা হাসির অনুরণন ধ্বনিত হতো রোজকার একঘেয়ে সকালে ও রাতের অন্ধকারে নিমজ্জিত মুহুর্তের দিশা বদলে গেলে। প্রিয়জনকে ফোন করে কেটে দিতে হতো না বা মেসেজ পাঠাতে গিয়ে মুছে ফেলতে হতো না কোনোমতেই। ইচ্ছে করলে মিস করছি বলাই যেত অনায়াসেই, তবুও রোজকার পাগলামির ধরণ বদলে যেত, কিন্তু এর চেয়ে বেশি কোনো ক্ষতি হতো না বলেই আমার মনে হয়। একাকীত্বের অবসাদে অসহায় মানুষের আত্মহত্যার পথ বেছে নিতে হতো না যার ফলে আত্মহত্যায় চেনা মৃত্যুর ক্রমবর্ধমান সংখ্যা হয়তো কমানো যেতো। ঘুম না আসার জন্য দিনের পর দিন মানুষটার ঘুমের ওষুধের প্রয়োজন নিমেষেই ফুরিয়ে যেত, কাঁদতে না পারা মানুষটা কেঁদে ফেলে তার যন্ত্রণা কমিয়ে ফেলত পারত যদি তাকে একটা ভরসার কাঁধ এগিয়ে দিয়ে হাসতে শেখালে।দিনের পর নিকোটিনের ধোঁয়া জীবনের কঠিন সময়ের রসদ হয়ে উঠত না, মদ – গাঁজা সেবনে যন্ত্রণা ভুলে থাকার চেষ্টা থেমে যেত স্বাভাবিক ভাবেই। অন্তর্জাল দুনিয়ার মুখোশে ভালো থাকার চেষ্টা ভালো থাকাতে বদলে যেত। চেনা মানুষের সময় কাটানোর বাড়তি সময়ের বেড়ে যাওয়া ইচ্ছের ফলে গল্পটি অন্যরকম শুরুতে নতুন দিনের প্রারম্ভে ও রাতেও আলোর ছোঁয়া পেত নিষ্কলুষ অন্ধকারেও। ” শুধু আমাদের সদিচ্ছার উদ্ভব হলেও প্রয়াসের উদ্দেশ্য বাস্তবায়িত হয় না বলেই চারপাশে এতকিছু ঘটে চলেছে আমাদের জীবনে প্রতিনিয়তই প্রতিমুহূর্তে, যা টের পেলেও অসাধারণ দক্ষতায় তা আমাদের জীবনের নির্মম সত্যিটা বদলে অন্য কিছু হিসেবে দেখা দেয় না ফলে ভুলে যাওয়া যায় না। তাই এসো না সবাই মিলে বদলে ফেলি চেনা চারপাশের আবহমানকাল ধরে চলে আসা এই অনুভূতির প্রকাশ করার ইচ্ছেটাকে পূরণ করে দীর্ঘস্থায়ী উপন্যাসে এ বদলে ফেলতে পারি চেনা গল্পের চরিত্রের ব্যবহারেও। সবশেষে এটুকুই বলব যে ” না বলা কথার রেশ আঘাতের ক্ষেত্র প্রস্তুত করে এমন চিহ্ন রেখে যায় যা নিকোটিনের ধোঁয়ার মতো হাজার চাইলেও ভুলে গিয়ে তিলে তিলে মেরে ফেলে নিজের ভালোভাবে বাঁচার রসদের খোঁজ করলেও জীবনের আস্বাদনে বঞ্চিত হয়ে থেকে যেতে হয়। @কলমেপ্রীতি

কালচিতি বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা একটি অসাধারণ ছোট গল্প

পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা শুধু বাইরের দিক থেকে হলেই হয় না, মননে চিন্তনে তার ছাপ থাকা প্রয়োজন; এই গল্পে সামাজিক অসাম্যের কথা সুস্পষ্ট ভাবে তুলে ধরা হয়েছে মানসিকতার পরিচয় দিয়ে। এই গল্পে কথক তথা একজন মানুষ যে শুধু আর্থিক দিকে সুপ্রতিষ্ঠিত হওয়ার মাধ্যমে মানুষের চরিত্র বিচার করে, তার সামাজিক মূল্যবোধ ও মানসিকতার পাশাপাশি মানবিকতার কাঠামোয় গড়া মানুষকে নয়। বাদবাকি মানুষকে সে তাই ধর্তব্যের মধ্যে আনে না, অর্থানুকুল্যের অহংকারে সে বড়লোক হলেও মানবিক দিক থেকে বড্ড নিম্ন মানসিকতার পরিচয় পাওয়া যায় তার এই গল্পে। অথচ অন্যদিকে সেই গাঁয়ের বঁধু আর তার সঙ্গিনী আর্থিক দিক থেকে গরীব হলেও তাদের সামাজিক মূল্যবোধ, মানসিকতা ও মানবিকতা উঁচুমানের, একথা একেবারেই অস্বীকার করার উপায় নেই। কিন্তু গল্পের কথক তথা অন্যতম চরিত্র হিসেবে গল্পের মতোই বাস্তবে তথাকথিত আধুনিক যুগের সমাজের অধিকাংশ মানুষের সংখ্যা কম নয়, তাই ভাল কম সংখ্যক মানুষরা বড্ড নগণ্য হলেও , এরা আছে বলেও আজও সমাজের ভিত একেবারে ধ্বংস হয়ে ধূলিকণায় পরিণত হয়নি। গরীব বলে তাদের চিরদিন অবহেলা করা হয়েছে ও অনুকম্পার দৃষ্টিতে তুচ্ছতাচ্ছিল্যের কারণে অনেক অপমান- লাঞ্ছনা সইতে হয়েছে ও অযত্নে বেড়ে ওঠা গাছের মতো তারাও হাল না ছেড়ে কোনওমতে দিন গুজরান করলেও তাদের মূল্যবোধ হারিয়ে যায়নি। বড়োলোকদের মতো স্বার্থপর ও নিম্ন মানসিকতা পাশার সামাজিক মূল্যবোধ হারিয়ে ফেলেনি অর্থানুকূল্যের আতিশয্যে। তবুও দিনের শেষে তাদের নূন্যতম অধিকার কেড়ে নিয়েছি বিলাসবহুল জীবনযাপনের জন্য। কিন্তু তা বলে আজন্মকাল ধরে বহমান এ ধারণার মানসিকতা বদলাতে আপ্রাণ চেষ্টার ত্রুটি নেই,তবুও সহযোগিতার অভাবে কোনো কিছু করা সম্ভব নয়।

রাজা তোরা রাজা যায়-বুদ্ধদেব গুহ , এক অন্য ধরনের ভালোলাগার রেশ রয়ে গেল পড়া শেষে

পলাশের ছোঁয়া অন্য বসন্তের গল্প বলে, সব প্রেম পূর্ণতা পায় না তাই বেঁচে থাকে আজীবন অ- প্রেমে…….

“পলাশের ছোঁয়া অন্য বসন্তের গল্প বলে, সব প্রেম পূর্ণতা পায় না তাই বেঁচে থাকে আজীবন অ- প্রেমে…….”(নিজস্ব) কারণ কিছু প্রেম শুধুই অবহেলায় বেড়ে ওঠে অযত্নে তবুও সে হেরে গিয়ে ফুরিয়ে যায় না এক নিমেষে। তাতে কোনো খাদ্য থাকে না, থাকে কোনো স্বার্থের দুর্গন্ধ।

একরাশ প্রশ্নের ভিড়ে ভীষণ ক্লান্তিতে নিশ্চুপ আমি

ভীষণ অদ্ভুত রকমের অনুভূতি আজকাল গ্রাস করে, কোনো আবেগের বহিঃপ্রকাশ নয়; অদ্ভুত বিরক্তি জুড়ে আসে মনের ক্লান্তির আবেশের মাঝে। জানি না কেন কাউকে কাছে পেতে ইচ্ছে করে যে তোমাকে বুঝবে তোমার মতো করে, তার মতো করে নয়।

পুনর্মিলনী উৎসব এর স্মৃতি

পুনর্মিলন অনেকটা ঠিক স্মৃতি রোমন্থন এ যাপনের মতো, যাকে এড়িয়ে যাওয়া তো অসম্ভব প্রায় আর তা অনেক অজানা গল্পের কথা মনে করিয়ে দেয়। তবুও একটা ফেরার ডাক যেন পিছু ডাকে বারবার, কিন্তু সেই পুরোনো ঝরাপাতার ধ্বংসাবশেষ খুঁজে ফিরি বারবার তাই ফেরা হয়না আর চাইলেও। তবুও সেখানে পুরোনো সোনালী দিনের মুহুর্তরা ভিড় করে প্রাচীন ও নবীনের আলাপচারিতায়। এই উৎসব হৃদয়ের গভীরে থেকে যায় আনন্দঘন চাপা দুঃখের কারণ হিসেবে।

আমার এমন একজন প্রেমিক চাই যে আমায় আগলে রাখবে রোদ্দুরে গোধূলির রঙে রাঙানো উষ্ণতায় ভিজব দুজন আদরে…..

ওপরের বিষয়বস্তুটি পড়ে মনে হবে এই শুরু হলো তবে ঐ একঘেয়ে প্রেমের গল্প, না তা ঠিক নয়। এ শুধু সুপ্ত ইচ্ছের অপ্রত্যাশিত স্বপ্নের কথা বলবে। তাতে শুধু না বলা কথার অনুরণিত সঙ্গীত শোনা যাবে। একটি মেয়ে বা ছেলে ধরে নিলাম এই গল্পের চরিত্র হিসেবে, সে চাই এমন একজন মানুষকে যে তার মনখারাপের মেঘে একচিলতে রোদ্দুর হবে, একাকীত্বের রাতের অন্ধকারে আলোর রোশনাই এ ঘুমপাড়ানি গান শোনাবে। কান্নাভেজা রাতে বালিশের মতো থাকবে পাশে থেকেও বহু দূরে, সাহস যোগাবে ভেঙে পড়ার সময়ের ভিড়ে। সকালের অলসতায় সতেজতার আদুরে আলাপের সঙ্গী হবে, দুপুরবেলার নিঝুম আবেশে তর্কে মাতবে দুইজনে, হেরে যাওয়ার পরেও বিকেলবেলায় বসবে দুজন পাশাপাশি ডানহাতে চায়ের কাপে চুমুক দিয়ে অভিমানী চোখের চাওয়ায় মানভাঙানোর অনুরোধে করুণ দৃষ্টিতে, গোধূলিরাঙা রুপে মুগ্ধ হয়ে ভুলে যাবে সারাদিনের ক্লান্তিকর অনুভূতির রেশ, সন্ধ্যেবেলা গঙ্গার তীরে কথা হবে দুজনাতে, রান্না হবে রাতের বেলা ভালবাসার আঙিনাতে, খাওয়া শেষে হবে দেখা রাতের বেলা জোছনাতে।অনেক দামি উপহার নয় বরং চাই একটুখানি সময় তোমার ব্যস্ততম দিনের শেষে ছুটিতে। পাশে থাকার কথা দেওয়ায় চলুক খুনসুটি আর অভিমানে বেশ কাটুক দিনগুলো তার প্রেমের পাশাপাশি সব ধরনের পরিস্থিতিতে হাত না ছেড়ে দেওয়ার তফাৎ এ পাশে থাকার অভ্যেসে।” কেউ কথা রাখে না যদিও, তবুও পেতে ইচ্ছে করছে আজ; আমার মতো আরেক আমি- কে দেখতে ইচ্ছে হয় রোজ, কেউ কি দিতে পারো এমন কারো খোঁজ….. “(নিজস্ব) হ্যাঁ আজ জানি না কেন বড় ইচ্ছে করছে, এমন কাউকে পেতে যে বিকেলবেলার ঘাসে গল্প করবে গোধূলির রঙে রঙিন ভালোবাসার ক্যানভাসে স্বপ্নের রঙ – তুলিতে আঁকা ছোট্ট মিষ্টি একটা ছবির।

Review of you were my crush by durjoy dutta

It’s a unique love story which is pouring of unconditional love of feeling. Where the two people and the people around them talk about the end of the honey combining the human psyche and endless genuine love.The character that first emerged in the novel is benoy, who stands as the main character. The parents who are left in the middle of separation suffer from loneliness and their minimalist notion of family changes forever.After the death of his mother, as a result of which he grew up as a stubbornThat set him apart from the other four or five people. disobedient non-violent person And as a spoiled child of an adult.But outside of her she had a beautiful mind that no one could easily see Ehsan, then Diya and Saina, Diya’s mother and her father, respectively. At the beginning of the novel, the main character, Vinay, is introduced and then begins the incident with Dev and Palak.Then the incident changed, with a drunk girl and a boy drunk, and it ended up bringing him home.Shortly afterwards, Ehsan made the call because of some problems in the college. Then all of a sudden, a professor comes in and does not borrow any bribe. So the binoy began to study with kindness with diya. Reading from a cheater and becoming a good person opens the mask of bad people. Then, day by day, binoy and Diya’s friendship turned into became a deep friendship. But the problem started with Saina. Because suddely fall in love with her. And it’s also not only that because the problem is that diya and saina is belong from a conservative family where no one allowed to loving someone. In the trouble of sonil and binoy ,diya very much talking to sonil. Then Ehsan and Sonil are separated. Then Deb and Avantika get engaged. Binoy and Saina’s conversations grew in love. But saina cant admit it and the other side binoy already tell her. Sincerely Beno and Father Relationships Better Than Beyond Conditions After He Received a Lot of Pictures of Two Both of them of his parents. Then they come close to father and sons both of them. Then diya and saina is angry with benoy because of loving saina and who can’t admit it. So diya is too much furious on him. Binoy’s father between their family is getting into The quarrel is over.Then Manoj’s who’s gonna boyfriend of saina gave proposal to her family to the intense of marrying her. But he is a bad possesive guy who is going to marrying her. And diya can’t happy with the decision like that but saina ready for it in the under pressure of manoj and her family.Then, on the day fixing date of marriage, Diya’s accident happened suddenly on that day.then binoy’s father take care of all it and between their relationship of family is better than before.diya became healthy through treatment but slowly timing.Then manoj and his family hates diya. Then manoj and saina broke up. But binoy didn’t know about it. Then two weeks later when saina and binoy meeting turned into making of love in binoy’s house. Then two of them russed into the diya and saina’s house to coming up the call of her mother. It’s a totally planned for to engage with the two of them. End of the novel is happy ending with the testing of binoy’ s true felling for saina. I love it so I can’t express it with my words.

অদ্ভুত নিঃসঙ্গতায় দুচোখ জুড়ে ঘুম আসে কিন্তু ক্লান্তির আবেশে নেশায় আক্রান্ত আমি শুধু পড়ে থাকি নিশ্চুপ হয়ে

আজকাল হচ্ছে এটা খুবই গত কয়েকদিন ধরেই, জানি না তার কারণ; তবুও এক দমবন্ধ কষ্টের মধ্যে ঘুম ভেঙে যায় চিন্তার কারণে। ঘুম হচ্ছে না ঠিকমতো তবুও সব কাজ যন্ত্রের মতো করে যাচ্ছি যেমন আর চার – পাঁচটা মানুষ করে যায় শুধুমাত্র বেঁচে থাকার জন্য। কেন জানি অদ্ভুত শুন্যতার আবেশে আক্রান্ত হচ্ছে ক্রমশ আমার এ হৃদয়।

Design a site like this with WordPress.com
Get started