সত্যিই আমরা আত্মবিশ্লেষণে কি পক্ষপাতিত্ব কি করি না, নিজের দোষ কতটুকু দেখি, না অন্যের দোষারোপে সন্তুষ্টি অর্জন করে কেবলই শুধু আত্মপ্রসাদ লাভ করি, নাকি নিজের কাছে নিজেকে ছোট করে আরো নিজের মুখোমুখি হওয়ার থেকে পালিয়ে যেতে চাই কেবলই। প্রশ্নচিহ্নের মুখোমুখি তো দূরের কথা তার সংখ্যা বাড়িয়ে পাহাড়ের মতো উঁচু করে ফেলি। মাঝে মাঝে আত্মবিশ্লেষণ প্রয়োজন, পাশাপাশি নিরপেক্ষ মানসিকতারও, নইলে সেটাও একপেশে একঘেয়ে কয়েকটি কথার গুচ্ছ হয়ে রয়ে যায়। যদি সবাই এইভাবেই ভাবত, তবে অনেক সমস্যা শুরু হওয়ার আগেই শেষ হয়ে যায়, অনেক সংকটের সৃষ্টি হতো না।
আবোলতাবোল আলোচনা
ভালোবাসা কি কোনো আলাদা সফর জীবন নামক জটিল ধাঁধায়। যেখানে চারিদিকে শুধু সম্পর্কের ভীড়ে কেবল দেখি শুধু সমস্যাকীর্ণ সম্পর্কের মেলা। কেউই কাউকে বুঝতে চায় না, কেবলই বিশ্বাসের সুযোগ নিয়ে কেবল স্বার্থপূরণের সূযোগ খোঁজে। কিন্তু কারো আবেগের মর্যাদা দেওয়ার প্রয়োজন বোধ একেবারেই করে না। অদ্ভুত বিষাক্ত বিষে জর্জরিত চারপাশে দমবন্ধ অবস্থায় একরাশ নির্মল বাতাসের মতো বন্ধুত্ব, ভালোবাসা এবং অনেক নামহীন অমূল্য সম্পর্কের বাঁধন আজও কালিমালিপ্ত হয়নি এসব ক্ষেত্রে। শুধুমাত্র আজও কন্টকপূর্ণ পৃথিবীতে ফুল ও ফুলের মতো শিশুরা জন্ম নেয় বলে। ধর্ম ও সংকীর্ণ মানসিকতার পাশাপাশি প্রকৃত শিক্ষার অভাবে প্রাচীন ও নবীন প্রজন্মের দূরত্বে যে বিষবৃক্ষের জন্ম হয়েছে, তার বিষাক্ত গ্যাসের জন্য দমবন্ধ হয়ে ধ্বংসের মুখে পা বাড়িয়ে দিয়েছে এ মানবসমাজ। যেখানে শিশুরাও সুরক্ষিত নয় সেখানে নারীদের নিরাপত্তা যে কোন পর্যায়ে রয়েছে তা কল্পনার বাইরে। যে দেশে শিশুদের পাশাপাশি অনেক মানুষ আজও না খেয়ে ঘুমোতে যায়, সেখানে শিক্ষার নামে এক্সপেরিমেন্ট চলে, ধর্মের নামে স্বার্থের জন্য রাজনীতি চলে নেতাদের অঙ্গুলিহেলনে, বিশ্বাসের নামে চলে ভাওতাবাজি চলে সওদাবাজির খেলায়, দারিদ্র্য বিমোচন তো দূরের কথা ধনীদের সুবিধার্থে নেতারা মোসাহেবি করে সেখানে ভালোবাসা দিয়ে সবকিছু জয়ের স্বপ্ন বড়ই অদ্ভুত আর অসম্ভব যজ্ঞের আয়োজন করা। মানবতা আজ ভঙ্গুর, শুধুমাত্র মানুষের চিরাচরিত ত্রাতার জড় তাকে না কাটানোর ফল।
জীবনের ছেঁড়া তারের গিটার এ বেসুরো গান
জীবনের পথে বহু ঘটনার সম্মুখীন হয়েছি,আচমকাই ধেয়ে আসা সমস্যার সমাধানে সহায়তা পেয়েছি। এগুলোকে কি হিসেবে ব্যখ্যা করব এখনও পর্যন্ত তা ভেবে পায় না। কারণ আমি ঈশ্বর বা ভগবান অথবা কোনো অদৃশ্য শক্তিতে বিশ্বাসী নই। হয়তো হতে পারে আমি যাদের সাহায্য করি নিঃস্বার্থভাবে, তারই ধারাবাহিকতায় আমার সময়ে প্রয়োজনে পাই। কিন্তু কখনও সমস্যায় পড়লে খুব একটা বেশি ভাবি না, সাময়িক ভাবে শুধুমাত্র স্তব্ধ হয়ে যায়। আচমকাই মাথা গরম বা মনখারাপ হলে বেড়িয়ে পড়ি যেখানে সেখানে কোনো কিছু না ভেবেই, পরে সেগুলো মনে করে ভাবলে হাসি পাই। আসলে জীবনটাকে যদি আমরা উপভোগের বদলে খালি সবসময় বিচার -বিশ্লেষণের জটিল প্রক্রিয়ায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ হিসেব করি, তাহলে জীবনের ছোটো ছোটো মুহুর্তের আনন্দ মূল্যহীন হয়ে যাবে আর পরে আফসোসের পরিসীমা থাকবে না। জানা নেই এই চেষ্টার পরিণতি কি হবে, অথবা কতদিন এভাবে চলতে পারব জানি না, তবে চেষ্টা করে যাব আপ্রাণভাবে। কিন্তু হেরে ফুরিয়ে যেন না যাই কোনোদিন। আমার সম্বন্ধে কে কি ভাবল, কে কি বলল, আমার তাতে কিস্যু যায় আসে না। কিন্তু খারাপ লাগার রেশ বেড়ে যায় তখনই যখন কাছের মানুষগুলো অপরিচিত লোকের মতো আচরণ করে। কে জানে আমি কোন ধাতুতে গড়া, কিন্তু জীবনের পথে চলতে গিয়ে অতীতের ঘটনার আঁচে খারাপ লাগে ঠিকই কিন্তু তার আঁচ নিজের জীবনের অমূল্য মুহুর্তের আনন্দ মাটি করতে দিই না। কারণ বর্তমানের আনন্দ উপভোগ ও ভবিষ্যতের রূপরেখা নির্ণয় করে তা অনুযায়ী চললে আমার মনে হয় ভালোভাবে বেঁচে থাকা যায়। নিজস্বতায় বিশ্বাসী নিজ রাজত্বে নিজের মনোমত জীবনটাকে যদি উপভোগ করে বাঁচতে নাই বা পারলাম তাহলে করলাম কি? তাই এটাই করি। কে পাশে থাকল, কে থাকল না, কার আমাকে পছন্দ নয়, তাতে কি যায় আসে। তা ভাবার জন্য তো সে ধরনের লোকজন রয়েছে। কেউ কারোর মনোমতো হতে পারে না। যত ভালোবাসার মানুষ আছে, সেই পরিমাণে ঘেন্না করার মানুষের পরিমাণ কম থাকলে জীবনটাকে বড়ো একঘেয়ে হয়ে যাবে, যেটা আমি চাই না। জীবনটাকে মাঝে মাঝে মনে হয় সিনেমা নয়ত সার্কাস,কখনও জীবনের মজা লুটপাট করি আমি, কখনও জীবন আমার। জীবনের হিসেবহিসেবনিকেশ করে সবটুকু শেষ করে দিতে চাই না। তাই বেহিসেবি জীবনের ভেলায় আমি বেশ আছি।
মনখারাপ কেন হয়
মনখারাপ কেন হয়, কখন হয়, কখন শেষ হয় কেউ যেন জানে না, পুরোনো অভ্যেসের মতো যেন লেগেই আছে, কিন্তু এটা একসময় দৈনন্দিন জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে অবসাদে পরিণত হয়ে লেগেই থাকে, ভালো রাখার চেষ্টা না করে বাড়িয়ে দেয় নিজের তৈরি রোগ বলে। কিন্তু সেটা যে ঠিক না কেউ কেউ বোঝে না, বরংচ ইচ্ছাকৃতভাবে এটাকে মজার খোরাক বানায়, অনেকটা ঠিক যেমন আগুন অন্যের ঘরে লাগলে আঁচ টের পাওয়া যায় না কিন্তু সেটা যতক্ষণ না নিজের ঘরের দিকে ধেয়ে আসে, বোঝা যায় না যে একইরকম অবস্থায় তাদেরও কষ্ট হয়েছিল, তার মধ্যে দিয়ে যেতে অনেক ওঠাপড়ার সম্মুখীন হতে হয়েছে। কিন্তু হেরে হারিয়ে যাওয়ার ইচ্ছে আসলেও এড়িয়ে এগিয়ে যেতে শিখেছি বরাবর।
You are liar
Because I don’t want to get from anyone’s so called sympathy, I don’t want to be a part of the real life theater but also have to see everything which I prefer to be there in like a audience of this wonderful moments of the day. I am so tired of all this drama which is going on like a boring
Life is going like a circus
I don’t know what is going on now, what is happened later, I know one thing is its a own fight of my life-war, I can’t go back from this battle like a loser. No one stand up besides by my side to get out from this worse situations. Every single second of end of the day I thought it’s a break of my life to get ride with new some little bit reasonable things happening to do my life- line get wonderful. It’s a hallucination of my imagination world reflexion only and nothing else has it be. Now I’m not to get out my depression crying with loudly as if I can. It’s a taugh conditions of my stucking in the middle of my get things better than to searching fault – ointment.
Stuck in the middle of my thoughts
Back to repeat the aggression of twenty-thought, in the inexperienced habit. Repeatedly doing this blunder every single time of my invisible imagination of depression, But no one can besides my side to get out from this weird situations, by the way everyone else has to improve to doing that goes much as can they do effort into get worse my current feelings for this. I cry everyday dive Into this splendor of gentle joy in the agony of strange suffering, I love to swallow this poison to ending me into pain of To be breathed in the loss of blue . How I can enjoy this, when anyone else has to ask me about it, my answer is to them that it’s not so easy or good but i drugged inside this unwanted habits of my life. I am always thinking about to others happiness not mine, it’s made my world of my depression. I forgot about to pampered myself to learn like a queen of my own kingdom of this world. Thoughts rounded up and down in my mind, then it’s killed me when I so amazing along, it’s swallow my loneliness in the silent night.
শুন্যতা
চারপাশে একরাশ শুন্যতা ছেয়ে আছে , তবুও তোমার কথার অনুরণন আজও ধ্বনিত হয়, কেন বলো তো, তুমি তো আমার সত্যিই কেউ নয়, তবুও অভিমান কেন হয় জানি না, বলতে পারো প্রথম তোমাকে দেখে কেন নিজের মনে হয়, তাই হয়তো কোথাও একটা অংশ হিসেবে রয়ে গেছো, উত্তরটা আজও পায়নি, তবুও খুঁজে চলেছি, মাঝে মাঝে শুন্যতার চাদর দিয়ে ঢাকা পড়ে যায় আমি, একাকীত্বের আলিঙ্গনে তবুও তোমার স্মৃতি আঁকড়ে শুন্যতা শেষ হয় না, এখন যতদিন যাচ্ছে ততদিন তোমার নেশায় আসক্ত হয়ে ডুবে যাচ্ছি অতলে, তুমি নেই, মৃত্যু আছে, আর আছে সান্ত্বনা…..