অভিযোগ

টাইম ম্যানেজমেন্ট না জানলে মাল্টিটাস্কিং অসম্ভব,
আর একপাক্ষিক চিন্তাধারা ও এক ধরনের প্রতিবন্ধক মুক্ত চিন্তাধারার প্রতিফলন ও বিকাশের ক্ষেত্রে,
উদার মানসিকতা ও মুক্ত চিন্তাধারা পুঁথিগত শিক্ষায় তৈরি হয় না, এটা ভেতর থেকে আসে।
ক্ষেত্রে সমস্যা কোথায়, সে তো আর তোমার মতো কে কি করে বেড়াচ্ছে কেন করছে আদৌ করছে কী না এসব দেখছে না।
আর অ্যাডমিন বা পি আর এর কাজ একজন সদস্য কোনোদিন বুঝবে না যতক্ষণ না সে নিজেও একটি কাজ করছে।
একপাক্ষিক চিন্তাধারার বাহক মানুষগুলো আমার বিশেষ অপছন্দের।
এরা নিজের মতামত জাহির করে,
কিন্তু অন্যের মতামতের সম্মান দিতে জানে না।
পেজগুলো আমার কাছে পরিবারের আরেক নাম আর তাই কাজ করি,
কারো কাজ সম্মান নাই করতে পারো, অসম্মান করার তুমি কে?
তুমি ঐ মানুষটার পাশে থাকবে কি, থাকবে না
ঐ মানুষটা ঐ পরিবারের অন্তর্গত মানুষগুলো কে পাবে কারণ তারা সদস্য হিসেবে নয় বন্ধু, ভাই বোনের মতো ভালোবাসে যেটার কদর তুমি করোনি তাই বুঝবে না।
আর আমার কারো কোনো কাজ বা কোনো কিছু নিয়ে সমস্যা নেই তও তোমার হচ্ছে কেন?
আমি বেশি কথা বলি বলে যদি মনে হয় এসো বাবা তুমি কিন্তু অযথা সময় নষ্ট কোরো না।
অ্যাডমিন বা পি আর দের পড়াশোনা ক্যারিয়ার পছন্দ ডিপ্রেশন সব থাকে, সাপোর্ট না পেলেও করে কারণ যখন সে এসব কিছু করত ধা তখন একটা কথা বলার মানুষ খুঁজে হন্যে হয়ে মরত, তার একাকীত্ব এ ডিপ্রেশন এ পরিণত হতে সময় লাগত না।
সেখান থেকে বেরিয়ে আসতে সাহায্য করেছে এইসব মানুষগুলো, তাই তুমি গুরুত্ব বুঝবে না। তুমি বুঝবে না আদতে কিছু শুধু অবান্তর প্রশ্ন করে যাওয়া ছাড়া।
কারণ তুমি তোমার অবসর কাটানোর একটা ছুঁতো খুঁজবে, তোমার প্রয়োজন মিটলে খোঁজ নিতে ভুলে যাবে, এরা ভুলবে না।
ফেসবুক, বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পেজ জগতে এসে বহু মানুষ এলো গেলো কিন্তু কিছু মানুষ থেকে গেছে, প্রয়োজন এর সীমাবদ্ধতায় নিজেকে আত্মসর্বস্ব করে তোলেনি, আত্মসুখে জর্জরিত হয়ে কারো আবেগ ব্যবহার করেনি, কাউকে আঘাত দিয়ে চলে যায়নি।বরংচ খারাপ সময়ে পাশে থেকে বন্ধুত্ব, ভাইবোনদিদিদাদা এই সম্পর্কের মানে বুঝতে শিখিয়েছে।
তুমি বুঝবে না ভাই প্লীজ তাই এই প্রসঙ্গে কথা বলতে এসো না।

একটা মানুষ ভীষণ দরকার

জীর্ণ ক্লান্তির রাত্রির বুক জুড়ে দীর্ঘশ্বাসের শব্দ,
একটা মানুষের জন্য স্পর্শ এর জন্য আজকাল মানুষ তৃষ্ণার্ত।
সেখানে কামনা নেই,
নেই বাসনার ছায়া।
সেখানে ভালোবাসা কুহকিনী,
আর সময় হচ্ছে মায়া।
শহর জুড়ে বিজ্ঞাপনে ছেয়ে গেছে আত্মহত্যার,
তুমি তবুও মুখ ঢাকছ বিবেক পুড়িয়ে বারবার।
রাস্তার আলো জ্বলে নেভে তোমার শাস্তির প্রহর গুণে,
হিসেব মেলায় তবুও ভুলে হচ্ছি যে জেরবার।
“কল হিম অ্যাডি” র মতো মানুষ এবার সত্যিই খুব দরকার,
মৃত্যুর সংখ্যা যদি আটকাতে চাই যদি সত্যি মন থেকে এবার।
একটু স্পর্শ ,
একটুখানি,
এবার যে আমার দরকার।।
-মেহুল শুনি🤲

একটা মানুষ যে এতো জরুরি হয়ে উঠবে তা অনুভব না করলে বোঝা যায় না।
একা একা সিঁড়ি বেয়ে ওপরে ওঠার সময় যে নির্দিষ্ট পারদে ওঠানামা করে সেটা আমরা যান্ত্রিকভাবে চলতে চলতে একসময় ভুলে যাই, ভুলে যাই আমরা মানুষ, আমাদের একটা শিশুসুলভ মন আছে, যার কষ্ট হয়, অভিমান হয়, রাগ হয়, আবদার করার জন্য একজনের প্রয়োজন হয়, জড়িয়ে ধরে কাঁদার জন্য একটা জলজ্যান্ত মানুষ লাগে।
সবসময় তার জন্য কোনো সময় বা যোগ্যতার সিলমোহর দরকার হয় না বরং সদিচ্ছা ও ভালোবাসার মতো মন এর দরকার হয়।
জাজমেন্ট করা তো নিরানব্বই শতাংশ মানুষের ধর্ম কিন্তু এক শতাংশ আন্ডারস্ট্যান্ডিং, শান্ত ধীরস্থির, ভালোবাসতে পারার মতো ক্ষমতা কজনের হয়, অন্যের স্বপ্নের উড়ান এ নিজেকেও সঙ্গী কজন করতে পারে, অন্যকে সাহায্য করে কজন নিজে অন্তর থেকে তৃপ্তি লাভ করে।
যে মানুষ কষ্ট পেয়েও অন্যের কষ্ট লাঘবের জন্য জানপ্রাণ লড়িয়ে দেয় না সে জানে জীবনের আসল মানে,
সে জানে পাথরের মূর্তির মতো রোজ সে যখন মানুষের কষ্টের আগল খুলে বের করে তাকে বাঁচতে শেখায় সে যে কি শান্তির তা শব্দে প্রকাশ করা অসম্ভব, এর কোনো মূল্য নেই, এর কোনো অ্যাওয়ার্ড এর দরকার হয় না, এর জন্য তোমাকে তোমার ব্যস্ততম দিনের গল্প শোনাতে হয় না, শুধু শেখাতে হয় আজও মানুষ আছে যারা তার ভালো চায়, ভালোবাসে, তার অভিমানের কদর করে, তার ছোটোখাটো বিষয়ে নজর রাখে অজান্তেই। তার শিশুসুলভ আবদার হাসিমুখে মেটায়।
তার চাইতে বেশি কিছু চাই না।
একসাথে ঘুরতে যাওয়া থেকে শুরু করে জীবনের সমস্ত পরিকল্পনা তোমার সাথেই করতে চায়, হ্যাঁ বড় বেশি কাঙালপনা দেখতে পাও তার মধ্যে ভালোবাসা পাওয়ার জন্য কিন্তু বিশ্বাস কোরো তার মতো মানুষ হিরের টুকরো র মতো, সহজে পাওয়া যায় না কারণ কাঁচ এ কেটে ঠিক করার পর যে নতুন আকার পায় সেটা পুরোনো বৈশিষ্ট্য নিয়ে ফিরে এলেও নতুন থাকে আ ঠিক কিন্তু বদলে ফেলা বাহ্যিক খোলনলচে যে একটা আবরণ মাত্র, সে বুঝতে আতসকাঁচ এর প্রয়োজন পড়ে না।

©মেহুল শুনি🌱 ✒️

কাফিদা❤🌼

কাফিদা❤🌼
যে মানুষটাকে শব্দে বেঁধে ফেলা যায় না,
যার কথার ছোঁয়ায় প্রকৃত মানুষ হয়ে ওঠার ইচ্ছে দুর্দমনীয় হয়ে ওঠে,
যিনি মহীরুহের মতো আমাদের আগলে রেখে প্রতিনিয়ত মানুষ হয়ে ওঠার জন্য অনুপ্রাণিত করেন,
যার কথায় ক্ষমাশীল হতে বাধ্য হয় আমাদের মতো অবাধ্য ছাত্রছাত্রীরা,
যার নাম শোনামাত্র শ্রদ্ধায় মাথা নুইয়ে আসে,
যিনি আদর্শ শিক্ষকের সংজ্ঞায়িত আদর্শের বেড়াজাল ভেঙে শিক্ষকতার মুনশিয়ানাকে সর্বোচ্চ শিখরে পৌঁছে দেন,
যার ক্লাস করার জন্য বর্তমান ও প্রাক্তন ছাত্রছাত্রী মুখিয়ে থাকে,
যার কাছে পড়াশোনার এক অনন্য বৈশিষ্ট্য এর সাথে পরিচিত হতে পারি,
সিলেবাসের বাইরে যেও এক পড়াশোনার এক জগত আছে তা জানতে পারা যায়,
চিন্তাধারার সীমাবদ্ধতা পেরিয়ে মুক্তির উড়ানে ভর দিয়ে স্বপ্নের সাথে বাঁচা যায়,
প্রথাগত রীতিনীতি, চিন্তাধারা মানসিকতা যে প্রকৃত মানুষ হয়ে ওঠার অন্তরায় তার শিক্ষা পাওয়া যায়।
ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করি যেন আপনার শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে একদিন প্রকৃত মানুষ হয়ে উঠতে পারি।
ভালো থাকবেন প্রিয় শিক্ষক 🌼❤ ©মেহুল শুনি🌱 ✒️

গোলাপের কথা

গোলাপের মতো বদনাম এর ভাগিদার ফুলের মধ্যে আর কোনো ফুল মনে হয় হয় না। এই ফুল দিয়ে কতো লোকে প্রেয়সীকে প্রেম নিবেদন করে আবার সম্পর্কে বিচ্ছেদ হলে পরে তার কাঁটার দোষ।
বিচিত্র বিচার সৃষ্টিকর্তার। তার অস্তিত্বে প্রশ্ন ওঠে বারবার। তবুও দুঃসহ প্রেমের জ্বালায় জেরবার মানুষের জীবনে তার ভূমিকা অনন্য।
কিছুটা হলেও মধু ছাড়া মৌচাক এর অনস্তিত্ব প্রশ্নের সম্মুখীন হয় তেমন করেই প্রেম এর সাথে গোলাপ অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িয়ে পড়ে। না চাইলেও। রক্তাক্ত হলে হোক মন তাতে তো আর সৌন্দর্যের দোষ কি, গোলাপ তো প্রেমের আলোকে আলোকিত। তাই তার একটি দোষ তার জনপ্রিয়তায় ভাঁটা পড়তে দিয়েও দিতে পারে না। এভাবেই দোষগুণে গুণান্বিত প্রকৃতির সমস্ত প্রকারের সৃষ্ট বস্তু। তাই নিঁখুত বলে এ জগতে কিছু নেই, যদি থাকে তা হলো প্রেম বা ভালোবাসা। এর বাইরে আর কিছু নেই। হয় কেউ কবি হয় আর কেউ বিবাগী, বৈচিত্র্যের ভিড়ে সবই অদ্ভুত দামী।
শুধু দৈনন্দিন জীবনে নয় সাহিত্য, শিল্প ও চলচ্চিত্রেও এর ভূমিকা অবিস্মরণীয়। যার পরে আর কিছু নেই।
ঐশ্বরিক শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি হচ্ছে প্রেম বা ভালোবাসা।
©মেহুল শুনি🌱✒️

Special one

কিছু কথা ইচ্ছে থাকলেও বলা বারণ…

প্রিয় সময়,

রাগ বা অভিমান পারদ থার্মোমিটারের মাথার উপর অবস্থান করে,
অদ্ভুত এক দূরত্বের ব্যবধানে আমার পুরোনো আমির সাথে এখনকার আমি এক অবস্থান এ দাঁড়িয়ে আছে। কোনো কিছু আশা বা যায় আসার বিষয়টা যেন এখন অপ্রতুলতায় পর্যদুস্ত,
একা থাকার অদ্ভুত অভ্যাসও এর অংশীদার বলতে গেলে,
সমস্ত চেষ্টা ধুলিসাৎ হওয়ার পর্যায়ে বারবার এসে দাঁড়াচ্ছে,
যোগাযোগব্যবস্থার যদি মূল ভিত্তি সমূলে বিনষ্ট করে নিজের অস্তিত্ব মুছে দেওয়া যেতো,
না বলা কথাগুলো উড়িয়ে দেওয়া যেতো তুলোর মতো,
তবে বেশ হতো,
আরো ভালো হতো যদি সব দ্বিধাদ্বন্দ্ব ভুলে সবকিছুই বলে দেওয়া যেতো, তবে রোজ রাতে নিজের চুলচেরা বিশ্লেষণ করতে গিয়ে মুখোমুখি অস্তিত্বের লড়াইয়ে নিজেকে আর কাটাছেঁড়া করতে হতো না।
এমন অনেক কিছুই হয় আমাদের জীবনে বা থাকে যা কাউকে বলা যায় না,
কোনোরকম সমালোচনার সম্মুখীন হতে চাই না বলে কাউকে অনুভূতি ভাগ করে নেওয়ার জন্য খুঁজে পাওয়া যায় না।
শুধু গুমরে মরি অসহ্য রাগের কারণে
আর সান্ত্বনা খুঁজে ফিরি পথে পথে এই ভেবে যে একদিন হয়তো উত্তরগুলো সমাধান আকারে প্রকাশ পাবে আর সমস্ত দায়ভার থেকে মুক্ত হয়ে যোজনব্যপী দূরত্বে ধরাছোঁয়ার বাইরে চলে যাওয়ার পর আর কোনো পিছুটান রাতের অন্ধকারে পিছু নিয়ে নৈতিকতা নিয়ে প্রশ্ন করে উঠবে না।
বলবে না যে তোমার ব্যর্থতার দায় সম্পূর্ণ নিজের ওপরেই বর্তায়, অন্য কোনো ব্যক্তির ওপর নয়,
কারণ আসা যাওয়ার মাঝে স্রেফ সত্যের প্রলেপ দেওয়া মিথ্যেটুকু তোমার গর্বের পাত্র ভেদ করে তোমাকে একা করে দেওয়ার ক্ষমতা রাখে বলেই তোমার মুখোশটাকে এক টানে মাটিতে টেনে ফেলে দেয় এবং তোমাকে ভেতর থেকে নিঃস্ব করে দিয়ে ভাবতে বাধ্য করে যে সমস্ত কিছুই আপেক্ষিক একমাত্র সময় ছাড়া। তাই মানুষ আসবে যাবে কিন্তু কোনো এক স্টেশন এ আর অপেক্ষা করবে না,
এটাই স্বাভাবিক এবং বাস্তব চিত্র।
কারণ যার যতোটুকু প্রয়োজন সে ততক্ষণ পর্যন্ত তোমার জীবন জুড়ে বিস্তৃত,
তারপর তার চাইতে বেশি সময় নয়,
শুধু স্মৃতিগুলো রেখে যায় ঝরাপাতাদের আত্মকথায়।
বসন্তের মরশুমে ফুটে ওঠা ফুলের কাছে শুধু প্রশ্ন রেখে যাবে যে এই বলে যে আসার জন্য যখন কেউ অনুমতির অপেক্ষা করেনি তখন সমস্ত বাঁধন ছিঁড়ে যাওয়ার জন্য কেন করবে?
ভুলে থাকার চেষ্টা ও ভুলে যাওয়ার মিথ্যে চেষ্টার সাঁকোর মাঝখানে তুমি রোজ নিজেকে খুঁজবে কিন্তু পাবে না, সে বহুদিন আগে জীবন্ত লাশ হয়ে হিসেবের খাতায় তার সমস্ত ভুলের পরিমাণ লিখে রেখে চলে গেছে।
শুধু রয়ে গেছে না বলা কথার ভার, যা কেউ বইবে না বলেই অনাদরে অবহেলায় সময়ের কোণে মুখ গুঁজে মরে থাকবে তবুও আর বাইরের পৃথিবীকে ছুঁয়ে দেখবে না।
লড়াই যে শুধু বাইরের নয়,
যারা আপনার তাদের সাথে এবং সবশেষে নিজের সাথে ও হয় বলেই একদিন দুম করে নিজের অস্তিত্ব মুছে দিয়ে সমস্ত অভিমান নিয়ে বহুদূর চলে যাবে, কোনো প্রশ্ন করবে না, জানতেও চাইবে না তখন তার গুরুত্ব আছে না নেই,
বাঁকা চোখে রয়ে যাওয়া ধুলোমাখা কবিতার খাতা পড়ে থাকবে,
শুধু লেখার জন্য মানুষটার কথা কারোর মনে পড়বে না,
সরে যেতে যেতে একসময় আর তিলমাত্র জায়গাও পড়ে থাকবে না।
শেষমেশ যা পড়ে থাকবে তা হলো অস্তিত্ব মুছে ফেলার দুর্দমনীয় চেষ্টা ও আত্মবিদ্রোহের তীব্র হুংকার।
ধ্বংসাবশেষ বলেও যদি কিছু থাকে তবে হয়তোবা খুঁজে পেতে পারো অনুভূতির ছিন্নভিন্ন টুকরো ও রক্তমাখা আবেগের সঙ্গে এক চরিত্র খুঁজে পাবে কোনো একদিন।।

বিদায় বন্ধু ভালো থেকো।।


-ইতি
©মেহুল শুনি

প্রেম না ভালোবাসা, কোনটা সহজ আর কোনটা কঠিন

এই নিয়ে বিতর্কের শেষ নেই ঠিক কিন্তু আমার মতে প্রেম সহজেই আসে বসন্তের উল্লাসে, বৃষ্টির ফোঁটায়, গ্রীষ্মের রুক্ষ দুপুরে, শরৎ এর আকাশে মন কেমন এর মেঘে, হেমন্তের শিরশিরে অনুভূতিতে, শীতের শৈত্যপ্রবাহে। অথচ ভালোবাসা নিদারুণ চৈত্রের নিঃসঙ্গ দিনের মতো, প্রিয় মানুষটির বিরহে তীব্র হয়ে ওঠে, একাকী কবিতা বলে ওঠে, অকিঞ্চিৎকর সময়েও অকারণেই সুর ভাঁজে, নিজেকে সাজিয়ে আয়নায় দেখতে ভালোবাসে, অপেক্ষায় কি ভেবে হেসে ওঠে পাগলের মতো। প্রেম ক্ষণস্থায়ী পূর্বরাগের পরের অধ্যায়, ভালোবাসা চিরন্তন প্রেমের পদাবলী। প্রেম অবুঝ পেন্সিলে লেখা আদুরে রোদ্দুর, ভালোবাসা গ্রীষ্মের দুপুরে একপশলা বৃষ্টির শীতলতা যা আবহমান।

ফুরিয়ে আসা শীতের সময়

শীতের সময় ফুরিয়ে আসে দ্রুত গতিতে, বসন্ত এসে বলে ওঠে এ আমার সময়। তোমার এবার ফেরার পালা, তাই সাথে পাতাঝরা চিঠি নিয়ে যেও। মুগ্ধ নয়নে প্রেম নিয়ে এসো, মনের মধ্যে মনের মানুষ পুষে। লিখে ফেলো অসমাপ্ত উপন্যাস, মুছে ফেলো মিথ্যে আবেগের করমচা। যা স্বাদে তেতো সেঁকো বিষের মতো, মনে পড়লেই সমস্ত কিছু ভন্ডুল হয়ে যায়। হাসিমুখে মেনে নিতে হয় ঠিকই কিন্তু ভেতরটা ভেঙেচুরে ক্ষতবিক্ষত হয়ে যায় যার খবর কেউ রাখে না। ©মেহুল শুনি🌻

#অনন্য

চেষ্টাটুকু হয়ে পড়ে ব্যর্থ কবিতা

আমরা ভালোবাসার পিছনে মরীচিকার মতো ছুটে মরি প্রতিনিয়তই, হ্যাঁ আমরা বড্ড বেশি বোকা, একা ও একঘেয়ে মানুষের কাছে, ভীষণ ভালোবাসি সর্বস্ব বিলিয়ে দিয়ে, আর সবার জন্য ভাবি, করিও কিন্তু বিনিময়ে কেন জানি না শুধু কথা বলার সময়টুকু চাই সেটা বুঝি খুব বেশি চাওয়া রে, তাই পাই না। আমরা সবাইকে বোঝার চেষ্টা করি কিন্তু আমাদের করে না কেউ, আমাদের মতো করে কেউ ভালোবাসে না কেউ না, এটাই সত্যি রে। সবাই ঐ প্রয়োজন এর গন্ডিটুকুই পেরোতে পারে না, বড্ড বেশি স্বার্থপর আত্মসুখে জর্জরিত। আমির বাইরে না গেলে জানা যায় না বলে আমরা যাই বরাবরই, তাই আমরা বোকা আর একাই থেকে যায় আজীবন, সহজ সরল সমীকরণ এ বাঁধা আমাদের মনকে আমরা কোনো সংকীর্ণতায় বাঁধি না বলেই আমাদের ছেলেমানুষি শিশুসুলভ মানসিকতা বাঁচিয়ে রাখে আমাদের। এটুকুই থাক তাহলেই ঠিক চলে যাবে রে, শুধু ভালো থেকো ভালো রেখো কারো খারাপ চেও না দেখে নিও একদিন ভালো হবে তোমার❤️🤲, কথাটা মিলিয়ে নিও আমার🤲 ©মেহুল শুনি🌱✒

ভালো আছি ভালো থেকো

মানুষের মতামতের থেকেও মানসিক শান্তি বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
তাই তো বারবার সরে এসেছি যেখানে অবান্তর প্রশ্ন ওঠে আমার ওপর,মনুষ্যত্ব যেখানে শুন্যের ঘরে শব্দ গোনে অপমান ও দোষারোপের,সেখানে আমি নেই।আত্মসম্মানবোধ এ আঘাত লাগলে পরে মানসিক শান্তি তলানিতে ঠেকে যায়,আর আত্মসম্মান না থাকলে বেঁচে থাকার মানে হারিয়ে যায়। যেকোনো সম্পর্কে বিচ্ছেদ সবসময় কষ্টের, কিন্তু আত্মসম্মান বিসর্জন দিয়ে সম্পর্কে থেকে যাওয়া আত্মহত্যার সমান।সবচেয়ে বড়ো যে যে তোমাকে বোঝে না তাকে বোঝাতে যেও না শুধু শুধু অপমানিত হবে।

©মেহুল শুনি🌱✒️

অপূর্ণ ইচ্ছের পূরণের আশ

গভীর রাতে গলিপথ ধরে হেঁটে চলে যায় একাকীত্বের চাদর মুড়ে নিস্তব্ধতা।
অপলক চোখে তাকিয়ে দেখে আমার অস্তিত্ব অনস্তিত্ব এর দ্বন্দ্বের মাঝে পড়ে।
কবিতারা সারি বেঁধে অভিমানে ফিরে যায় তার উৎস এ রোজ,
গল্পের চরিত্র বুনে চলে আমার অক্ষমতার ইতিহাস।
ব্যর্থতার মরুভূমিতে আমি বুনেছি গত জন্মের আশ,
যা কখনো পূরণ হয়নি ইচ্ছেগুলোকে জোর করে হত্যা করা হয়েছে বলে।
বাকি থেকে গেছে শুধু একরাশ শুন্যতার আলিঙ্গন কেবলমাত্র।
-©মেহুল শুনি🌱✒️

Design a site like this with WordPress.com
Get started