বিখ্যাত বিজনেসম্যান উল্লাসবাবু হচ্ছেন কোলকাতা শহরের একজন অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সম্মানিত ব্যক্তি, যার স্ত্রী একজন বিখ্যাত শিল্পী যার নাম বহিশিখা সেন। তাদের দুই মেয়ে একজন- এর নাম নীহারিকা ও অপরজনের নাম কুহেলিকা; দুজনেই মেধাবী ও বলতে গেলে। ১২বছর- এর দাম্পত্য জীবন ঠিক চলার পর হঠাৎই একদিন অশান্তি শুরু হলো, তারপর গোটা মাস গড়িয়ে বছরের দোরগোড়ায় উপস্থিতContinue reading “এক ধ্বংসাবশেষের বুকে স্বপ্নের কথা বলি চলো”
Author Archives: priti sarkar nupur( ©mehu suni)
ফিরে আসে অব্যক্ত ব্যথারা নিঃশব্দে
ফিরে আসে জমে থাকা বরফের পাহাড় চিরে অব্যক্ত ব্যথাদের স্রোত।
এলোমেলো কিছু ভাবনা
শূন্যতা না অন্য কিছু ? না যা আছে তা ঠিক কি আমি নিজেই জানিনা ? সবকিছুই কেমন দায়সারা, ভালোলাগা নিস্পৃহতায় বর্তমান । নিজেকে খোঁজার ভীড়ে প্রশ্ন বিদ্যমান , আর কুয়াশার আবরণে ধোঁয়াশার মতো কুলকুণ্ডুলিনী সারাক্ষণ । কি যেন একটা নেই, কেন নেই,কীসের জন্য নেই তাও ঠিক জানা নেই ; পুরোটাই রহস্যে মোড়কে ঢাকা এক প্রশ্নচিহ্নেরContinue reading “এলোমেলো কিছু ভাবনা”
🌼
মনের কপাট বন্ধ করতে পারলে তো কষ্টের কারণটাই সমূলে উপড়ে ফেলা যেতো তাই না… যা অসম্ভব। যদিওবা সম্ভব হয় তবে অনুভূতিহীন অবয়ব হয়ে ওঠাটা খুব জরুরি… খুব দরকার, নইলে সব প্রস্তুতি বিফলে গিয়ে সব আবার সেই ঘেঁটে ঘ হয়েই রয়ে যাবে, কিস্যু বদলাবে না কিস্যু না… গল্পটা একরকম একঘেয়ে থেকে যাবে আজীবন এইভাবেই।। ©মেহুল শুনি♠️♠️
অন্যায়ের প্রতিবাদ না করে নিজেকে মানুষ বলে দাবি করতে লজ্জা করে না, আর যখন অত্যাচারের বিরুদ্ধে কেউ প্রতিবাদ করে তখন প্রশ্ন করো কেন? পৈশাচিক উল্লাস এ মেতে ওঠার জন্য কি? ধর্ম,দীক্ষাও ঈশ্বরের উপাসক বলে দাবি করো,আবার মন্যুষত্ব বেঁচে দাও আত্মসুখে জর্জরিত হয়ে।তোমরা তো মানুষরূপী জানোয়ার। তোমরা নিজের ছাড়া আর কিছু কি করে দেখবে? এটা আশাContinue reading
কুহকিনী কি করে জানা নেই, কবিরা বোধহয় দুঃখেও কবিতা লেখে
হারিয়ে ফেলার শুন্যতার মাপকাঠি বোধহয় নয়, যদি থাকত সেও ছিঁড়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে জানান দিতো ব্যথার ভার, যা হয়তো সেও নিতে পারেনি বলে ক্লান্ত হয়ে ছিঁড়ে পড়ে গেছে। সব যন্ত্রণার এক হয়ে গিয়ে এমন ভারাক্রান্ত হৃদয় ভারি হয়ে ওঠে, যেখানে গুমোট এর চাপেও বৃষ্টির দেখা মেলে না, কেবল মেঘলা আকাশের মন ভার দেখা যায়। যেখানেContinue reading “কুহকিনী কি করে জানা নেই, কবিরা বোধহয় দুঃখেও কবিতা লেখে”
রঙীন তবুও রং-হীন
বাইরে থেকে সবার জীবন রঙীন অপূর্ব মনে হলেও আদতে গল্পটা রং-হীন ধূসর বাস্তবতার নিরিখে কেমন খাপছাড়া ধরনের। যা শুনলে বা অনুভব করলেও তা বোঝা সম্পূর্ণরূপে অসম্ভব।।
একা হয়ে যাওয়ার সময়
আস্ত মনখারাপ গিলে ফেলাটা সহজ যদিও নয় আমাদের কাছে তবুও আমরা পারি একসময়,কেউ শিখিয়ে দেয় না, বলেও দেয় না;কাউকে জানাই না আর মনখারাপ এর পারদ যখন উঁচু হয়ে অবসাদের কোলে ঢলে পড়লেও,কারণ আমরা জানি আপেক্ষিক গুরুত্ব আর সারাজীবন ধরে রাখার মধ্যে আকাশপাতাল তফাৎ রয়ে যায় বইকি।যারা পারে তারা কখনো মুখ ফুটে বলে না বরং বলেContinue reading “একা হয়ে যাওয়ার সময়”
যদি কখনও
যদি আমি কখনো বলে উঠি এখানে যারা আবেগের বশে কবিতা লিখবে,তাদের গুলি করে মেরে ফেলা হবে,যদি বলি যুদ্ধের ময়দানে রক্তের বন্যাই আমার প্রিয়,ভালোবাসার ঘাসে বসে নিশ্চিন্তের বাক্যালাপের থেকে।যদি বলি বইয়ের শব্দগুলোর প্রতি আমার একরাশ ঘেন্না আছে আমার জমিয়ে রাখা,তুমি পাগল ভাববে আমাকে,তাহলে নিঃশব্দে চুপিসারে চলে যেও।আমায় ঘুণাক্ষরেও জানতে দিও না,যদি আমি ভুল করে জানতে পারিContinue reading “যদি কখনও”
পুজোর স্মৃতির ঝাঁপি
ছোটোবেলায় পুজো নিয়ে একটা আলাদাই উন্মাদনা ছিল, একটা যেন অন্য জগতের বাসিন্দা হয়ে যেতাম প্রত্যেকেই। পুজোর জামা, জুতো থেকে শুরু করে ঠাকুর দেখা ও শিউলি ফুল কুড়িয়ে আনার জন্য অঘোষিত উৎসবের আয়োজনে সবাই নির্ধিধ্বায় সম্মিলিত হবার জন্য মুখিয়ে থাকতাম। মহালয়ার ভোরে চারটেয় ঘুম থেকে উঠে চাদর গায়ে বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের গলায় রেডিওতে চণ্ডীপাঠ শোনা এবং বাঙালিরContinue reading “পুজোর স্মৃতির ঝাঁপি”