অন্যায়ের প্রতিবাদ না করে নিজেকে মানুষ বলে দাবি করতে লজ্জা করে না,
আর যখন অত্যাচারের বিরুদ্ধে কেউ প্রতিবাদ করে তখন প্রশ্ন করো কেন?
পৈশাচিক উল্লাস এ মেতে ওঠার জন্য কি?
ধর্ম,দীক্ষাও ঈশ্বরের উপাসক বলে দাবি করো,আবার মন্যুষত্ব বেঁচে দাও আত্মসুখে জর্জরিত হয়ে।তোমরা তো মানুষরূপী জানোয়ার।
তোমরা নিজের ছাড়া আর কিছু কি করে দেখবে?
এটা আশা করাটাই হাস্যকর। মনে রেখো এর মূল্য চোকাতে হবেই একদিন…
যেখানে ধরে নেওয়া হয় মেয়েরা পড়ে পড়ে মার খাবে,
সেখানে প্রতিবাদ কে সুনজরে দেখা হবে এতো অস্বাভাবিক কিছু নয়।মেয়েদের মানুষ না ভেবে দেবী, মায়ের জাত বলে দমিয়ে রাখবে,কেউ ভালো থাকার জন্য সঙ্গী খুঁজলে অন্যায়,নিজের ইচ্ছেমতো জীবন কাটালে স্বেচ্ছাচারী,চরিত্রহীন,আরো কতো অশ্লীল নোংরা ভাষায় আক্রমণ করা হবে।কেউ বিয়ে না করে লিভ ইন থাকলে বলা হবে অবৈধ সম্পর্কে আছে,কেউ একা থাকতে চাইলে তার নিশ্চয়ই খুঁত আছে ধরে নিতে হবে। মেয়েরা বাঁচার চেষ্টায় কতবার মরবে পুরুষতান্ত্রিক সমাজের নাগপাশে বদ্ধ হয়ে, আর কেন? তাদের কি ভালোভাবে বেঁচে থাকার অধিকার নেই।
ধর্ম এর বুলি না ঝেড়ে আগে মানুষ হতে শেখো,
মেয়েদের ত্যাগ তিতীক্ষায় মানিয়ে নিয়ে জীবন কাটাতে না শিখিয়ে আত্মসম্মান নিয়ে আত্মরক্ষার কৌশল শিখে ভালো ভাবে নির্ভয়ে জীবন কাটাতে শেখাও। তারা মানুষ, নিজের ইচ্ছেমতো বাঁচার অধিকার আছে, আলাদা করে স্বীকৃতির দরকার নেই বোঝাও। মধ্যযুগীয় মানসিকতা কে মুছে দিয়ে মানুষ হতে শেখো তার জন্য প্রথাগত শিক্ষা বা ডিগ্রী লাগে না একটা সুন্দর মন লাগে আর উদারতার বটগাছ হতে লাগে, সংকীর্ণতার আগল ছিঁড়ে বেরিয়ে।
মানুষ হতে শেখো, ধর্ম এর উপাসক নয়, রাজনীতির নেতা নয়।
ধন্যবাদ🙏💕
©মেহুল শুনি